শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে ৪ গ্রাম হেরদূর্গাপুরে নতুন শিল্পীদের খোঁজে শুরু হচ্ছে ‘নিয়ামতপুরে ভূমি সেবা সংক্রান্ত গণশুনানি অনুচারঘাট মডেল থানার এএসআইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তচারঘাটে নারী সহায়তা ফোরামের সঙ্গে উপজেলা প্ররাজশাহীতে র‍্যাব-৫ এর পৃথক অভিযানে ১০টি গাঁজগভীর রাতে র‍্যাবের জালে পুঠিয়ার গাঁজা চাষিশিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে চোরাই মোবামেধাবী ও রোমাঞ্চকর জীবনসঙ্গী: সাংবাদিকের সাথবেনাপোল বন্দরের জব্দকৃত পণ্য বদলের অভিযোগ, ২.

প্রাইভেটকার গাছের সাথে ধাক্কা, এক পরিবারের ৩ জন নিহত

Spread the love

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গা আত্মীয় বাড়ি বেড়াতে যেয়ে ফেরার পথে গাছের সাথে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় যশোর জেলা মনিরামপুরের এক পরিবারের তিন জন নিহত হয়েছেন। এসময় গুরুতন আহত হয়েছেন প্রাইভেটকারে থাকা ওই পরিবারের তিনজন। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর রাত আড়াইটার দিকে যশোর-মাগুরা সড়কের গাইদঘাট নামক স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

নিহত তিনজন হলেন, মনিরামপুর বাজারের ইন্টারনেট ব্যবসায়ী মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনি (৪৩), তার বাবা মনিরামপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-২ সাবেক পরিচালক আব্দুল মজিদ সরদার (৭৫) ও জনির চার বছরের মেয়ে শেহেরিশ।

আহতরা হলেন, জনির মা মনোয়ারা বেগম (৬০), স্ত্রী সাবরিনা জাহান (৩০) ও ছেলে সামিন আলমাস (১০)। বারোবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ওসি বলেন, প্রাইভেটকারটি যশোরের দিকে আসছিল। চালক জনির ঘুমজনিত কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। কারটি রাত আড়াইটার দিকে গাইদঘাট এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বিপরীত পাশে বটগাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলে কারটিতে থাকা চালক জনি ও তার বাবা আব্দুল মজিদ মারা গেছেন।

চুয়াডাঙ্গা আত্মীয় বাড়ি বেড়াতে যেয়ে ফেরার পথে গাছের সাথে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় এক পরিবারের তিন জন নিহত হয়েছেন।

ওসি আরও বলেন, কারটির ভিতরে থাকা আহত চারজনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। আহত তিন জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত জনির আইটি ফার্মের এক্সপার্ট রিয়াদ হোসেন বলেন, জনি সোমবার পরিবারের সবাইকে নিয়ে প্রাইভেটকারে চড়ে চুয়াডাঙ্গা নানা বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলেন। রাতে সেখান থেকে ফেরার পথে কারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জনি , তার বাবা ও ছোট্ট মেয়েটি মারা গেছে। এসময় আহত হয়েছেন জনির মা, স্ত্রী ও ছেলে। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

রিয়াদ হোসেন আরও বলেন, রাতে সব আইনী প্রক্রিয়া শেষ করে আমরা নিহত তিন জনের মরদেহ তাদের বাড়িতে নিয়ে যাই। নিহতের দাফন প্রক্রিয়াধীন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top