শিরোনাম :
বানেশ্বরে মে দিবসে শ্রমিকদের কণ্ঠে অধিকারহীচাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়চাঁপাইনবাবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান মে দিচাঁপাইনবাবগঞ্জে পিস্তল ও গুলিসহ একজনকে আটক কচাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের টিকাদান কার্যক্রম প্মহানন্দা সেতু টোলমুক্ত করার দাবিতে চাঁপাইনবরাজশাহীতে আলোচিত নারী শিক্ষিকার নিয়োগে জালিআসন্ন বাঘা উপজেলা নির্বাচন: নতুন সমীকরণে আলোসাংবাদিক আরবিএস পাভেলচাঁদাবাজ নাকি ষড়যন্ত্

ইরানে পারমাণবিক হামলার পথ বন্ধ রাখলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, জোর দিলেন দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তিতে

Spread the love

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরানকে ঘিরে ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা একেবারে নাকচ করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা এতটাই শক্তিশালী যে প্রচলিত অস্ত্র দিয়েই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব—পারমাণবিক অস্ত্রের প্রয়োজন নেই।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) White House-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইতোমধ্যেই তাদের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছি। আমাদের প্রচলিত অস্ত্রই যথেষ্ট কার্যকর। পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করার প্রশ্নই আসে না।”

তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র শুধু যুদ্ধের অস্ত্র নয়, এটি মানব সভ্যতার জন্য বড় ধরনের হুমকি। “এটি এমন এক অস্ত্র, যা কোনো দেশই ব্যবহার করা উচিত নয়,”—যোগ করেন তিনি।

ট্রাম্প তার বক্তব্যে ইরানের সামরিক শক্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌ ও বিমান সক্ষমতা তুলনামূলক দুর্বল এবং তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সীমিত।

তার ভাষায়, “তাদের শক্তিশালী নৌবাহিনী নেই, কার্যকর বিমানবাহিনী নেই, এমনকি পর্যাপ্ত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও নেই। যুদ্ধবিরতির সময় তারা হয়তো কিছুটা প্রস্তুতি নিয়েছে, কিন্তু সেটি আমাদের জন্য বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নয়।”

তিনি আরও যোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে “মাত্র একদিনের মধ্যেই” ইরানের সামরিক অবকাঠামো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে—যা তার প্রশাসনের শক্ত অবস্থানকে তুলে ধরে।

যদিও সামরিক শক্তির কথা তুলে ধরেছেন, তবুও ট্রাম্প মূলত একটি দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন। ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি এখনই একটি চুক্তি করতে পারি, কিন্তু সেটা আমি চাই না। আমি এমন একটি চুক্তি চাই, যা স্থায়ী হবে।”

বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইঙ্গিত দেয় যে, যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত কোনো রাজনৈতিক সমাধানের চেয়ে কৌশলগতভাবে টেকসই একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ। বিশেষ করে Iran Nuclear Deal ভেঙে যাওয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে আস্থা সংকট আরও বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত, তেল সরবরাহ নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য—সবকিছু মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনো অস্থির।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্যে একদিকে যেমন সামরিক শক্তির প্রদর্শন রয়েছে, অন্যদিকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করার ঘোষণা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য কিছুটা স্বস্তির বার্তা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top