📰 ই-পেপার
ব্রেকিং
ইথিওপিয়ার সংঘাত থেকে বাঁচতে কেনিয়ায় আশ্রয় নিল হাজার হাজার মানুষ ডিজিটাল লেনদেনে নতুন অধ্যায়: প্রথম সরকারি ব্যাংক হিসেবে মাস্টারকার্ডের লাইসেন্স পেল কৃষি ব্যাংক বাংলাদেশের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে ‘উল্লাস ইন্টার ক্লাব স্পোর্টসফেস্ট’ ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে বাংলালিংকের সাথে ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন চুক্তি ইথিওপিয়ার সংঘাত থেকে বাঁচতে কেনিয়ায় আশ্রয় নিল হাজার হাজার মানুষ ডিজিটাল লেনদেনে নতুন অধ্যায়: প্রথম সরকারি ব্যাংক হিসেবে মাস্টারকার্ডের লাইসেন্স পেল কৃষি ব্যাংক বাংলাদেশের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে ‘উল্লাস ইন্টার ক্লাব স্পোর্টসফেস্ট’ ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে বাংলালিংকের সাথে ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন চুক্তি
নিউজ, আইন ও অপরাধ, ব্রেকিং নিউজ

গোদাগাড়ীর যাবজ্জীবন সাজা পেয়েও ধরাছোঁয়ার বাইরে চিট রাসেল মানি লন্ডারিং তদন্তের দাবি

July 24, 2026

Spread the love

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি​​:


আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেছেন রাজশাহী ও উত্তরাঞ্চলের অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি মনোয়ারুল হাসান রাসেল ওরফে ‘চিট রাসেল’। আদালতের সাজা পরোয়ানা ঝুললেও তিনি গ্রেপ্তার না হওয়ায় এবং মাদকের শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মনে চরম ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

​
​আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৪-এ দায়েরকৃত দায়রা মামলা নম্বর-৩০৯৫/২০২১ (সূত্র: কোতোয়ালী থানার মামলা নম্বর-০৮ (০৯)১৯)-এ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১)-এর টেবিল ১০(গ), ৩৮ ও ৪১ ধারায় রাসেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। পলাতক আসামি চিট রাসেল কে আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং তার বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
​তবে রায় ঘোষণার পর দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

​হেলপার থেকে শত কোটি টাকার মাদক সম্রাট
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার আঁচুয়া তালতলা গ্রামের বাসিন্দা মনোয়ারুল হাসান রাসেল একসময় বাসের হেলপার হিসেবে কাজ করতেন। পরবর্তীতে তিনি মাদক সিন্ডিকেটে জড়িয়ে পড়েন। শুরুতে হেরোইন বহনের কাজ করলেও একপর্যায়ে নিজস্ব বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম শীর্ষ ইয়াবা সরবরাহকারীতে পরিণত হন।
​মাদকের এই অবৈধ সাম্রাজ্য বিস্তার করে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে রাসেল বিপুল বিত্ত-বৈভবের মালিক বনে যান। অভিযোগ রয়েছে, রাজশাহী শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় তার বহুতল ভবন, দামি ফ্ল্যাট ও জমিসহ শত কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।

​্
​আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রেকর্ড অনুযায়ী, চিট রাসেল দীর্ঘদিন ধরে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে মাদকের প্রধান জোগানদাতা হিসেবে কাজ করছিলেন।
​২০১৬ সালের আগস্ট টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা এলাকায় র্যা ব-১২ অভিযান চালিয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ রাসেলকে একটি ট্রাকসহ আটক করে।
​২০১৮ সালের অক্টোবর রাজশাহী মহানগরীর উপশহর এলাকায় মহানগর পুলিশ (আরএমপি) ও গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে নিজ বাসা থেকে ৮৮০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল ও তার স্ত্রী মরিয়ম গ্রেপ্তার হন।
​মানি লন্ডারিং তদন্ত ও দ্রত গ্রেপ্তারের তীব্র দাবি
​আইন অনুযায়ী মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ সম্পদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা ও তদন্তের বিধান থাকলেও রাসেলের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোনো সংস্থা থেকে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।


​স্থানীয় সচেতন মহল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, একজন চিহ্নিত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি কীভাবে এখনো প্রকাশ্যে বা গোপনে অধরা থাকে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তারা অবিলম্বে আদালতের সাজা পরোয়ানা বাস্তবায়ন, ‘চিট রাসেল’কে গ্রেপ্তার এবং তার বিপুল অবৈধ সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে মানি লন্ডারিং আইনে তদন্ত শুরু করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

এই সংবাদের ফটো কার্ড বানিয়ে নিন —