ক্ষমতা ছাড়ার আগে ট্রাম্পের বিশ্বনেতৃত্বের সমীকরণ কি নতুন বিভাজনের ইঙ্গিত?

প্রেসিডেন্সিয়াল মেয়াদের শেষ পর্যায়ে এসে যখন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রভাব কমতে শুরু করে, তখন অনেক নেতাই বিশ্বমঞ্চে নিজেদের ছাপ রাখার চেষ্টা করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প, ভ্লাদিমির পুতিন এবং শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য বৈঠকটি বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পশ্চিমা বিশ্বের প্রভাব কমে যাওয়া এবং বিশ্ব রাজনীতি তিনটি প্রধান মেরুতে বিভক্ত হওয়ার যে আশঙ্কা রয়েছে, এই শীর্ষ সম্মেলন সেই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে।
সাধারণত মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়াদের শেষ সময়ে দেশীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়ে। তবে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তখনও তাদের যথেষ্ট প্রভাব বজায় থাকে। অতীতে জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ কিংবা বারাক ওবামার মতো নেতারা বিদায়ী সময়ে বড় ধরনের ভূ-রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বর্তমানে ট্রাম্পের উদ্যোগও অনেকটা সেদিকেই যাচ্ছে। এই সম্মেলন শুধু একটি কূটনৈতিক বৈঠক নয়, বরং এটি বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তনের একটি জটিল অধ্যায় হতে পারে, যা ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক সম্পর্কে গভীর প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
