চিকিৎসা বিজ্ঞানে মরণোত্তর দেহদানের এক ভিন্নধর্মী ও আবেগঘন অভিজ্ঞতার বয়ান

চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির লক্ষ্যে নিজের মরদেহ দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এরিন ও’কনেল। ২০২২ সালের শেষভাগে বিরল এবং আক্রমণাত্মক ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়ে তিনি এই সাহসী ও মহৎ সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করেছিলেন। এরিন তখন ৬২ বছর বয়সী একজন ফিজিওথেরাপিস্ট, যিনি নিজের পরিবারের কাছাকাছি থাকার জন্য পোর্টল্যান্ডে নতুন জীবন শুরু করেছিলেন। অসুস্থতার কারণে কর্মজীবন থেকে বিরতি নিতে বাধ্য হলেও, জনসেবার প্রতি তাঁর আগ্রহ তখনও অটুট ছিল।
পরবর্তীতে তাঁর দেহদানের বিষয়টি যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়, তা ছিল অত্যন্ত ব্যতিক্রমী। শোকাতুর পরিবারের সদস্যদের সম্মান জানাতে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নানা ধরনের পরিবেশনা ছিল, যার মধ্যে অ্যারিয়াল যোগব্যায়াম এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীর গানও অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রথাগত আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগটি এরিনের পরিবারের কাছে এক অন্যরকম তৃপ্তি ও প্রশান্তি বয়ে এনেছিল। চিকিৎসা শিক্ষার প্রসারে দেহদানের এই যাত্রাপথটি তাই প্রিয়জনদের কাছে এক অবিস্মরণীয় ও হৃদয়স্পর্শী অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


