আক্রমণাত্মক সামরিক কৌশলে ইরান: মধ্যপ্রাচ্যে কি যুদ্ধের দামামা?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার হুমকির মুখে নিজেদের সামরিক নীতিতে আমূল পরিবর্তন আনল ইরান। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, এখন থেকে তারা কেবল আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে থাকবে না, বরং শত্রুপক্ষের যেকোনো আগ্রাসনের পাল্টা জবাব দেওয়ার পাশাপাশি আক্রমণাত্মক অভিযানও চালাবে। এই নতুন কৌশলের আওতায় বিদেশি সামরিক ঘাঁটি এবং প্রতিবেশী দেশগুলোতেও সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বৃদ্ধি এবং জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় অঞ্চলটিতে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কূটনৈতিক আলোচনার পথ প্রায় রুদ্ধ হয়ে আসায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তজনা চরমে পৌঁছেছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে সৌদি আরবে অবস্থানরত জরুরি নয় এমন কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান তাদের এই কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বার্তা দিতে চাইছে যে, ভবিষ্যতে তাদের ওপর কোনো আঘাত এলে তার মাশুল গুণতে হবে হামলাকারী দেশগুলোকেও। একদিকে মার্কিন নির্বাচনের প্রভাব, অন্যদিকে ইরান ও ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ফের এক ভয়াবহ সামরিক অস্থিরতার কালো মেঘ ঘনিয়ে আসছে।
সূত্র: প্রথম আলো


