সাগরের নীল জলরাশিই যেন মায়ের সঙ্গে মেলবন্ধনের নতুন ঠিকানা

মায়ের অকাল প্রয়াণ ও তার দীর্ঘদিনের মানসিক অবসাদের স্মৃতি সন্তানের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছিল। প্রিয়জনকে হারানোর শোক কাটিয়ে উঠতে হিমশিম খাচ্ছিলেন তিনি। তুরস্কের কাস উপকূলের এক সকালে দীর্ঘ পথ সাঁতার কাটার অনীহা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত জলে নামার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেই নিমজ্জনই তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
পানির নিচে ডুব দেওয়ার পর থেকেই তার মনের জমে থাকা ভার ধীরে ধীরে হালকা হতে শুরু করে। সাঁতারের ছন্দময় গতি ও প্রশান্ত পরিবেশ তাকে যেন মায়ের সান্নিধ্যের এক অদ্ভুত অনুভূতি দেয়। মা নিজেও জলপ্রেমী ছিলেন, তাই পানির এই নিস্তব্ধতায় তিনি নিজের ভেতর এক নতুন শক্তি খুঁজে পান। সাঁতারের এই প্রশান্তি তাকে শোক কাটিয়ে ওঠার এক নতুন পথ দেখাল, যেখানে সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের মাঝে তিনি খুঁজে পেলেন মায়ের আত্মার সঙ্গে এক পরম সংযোগ।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


