
রবিউল ইসলামঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দুর্গাপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এবং সাবেক সফল চেয়ারম্যান জনাব মোঃ গোলাম সাকলায়েন। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আনন্দের এই দিনে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার উদাত্ত আহ্বান জানান।
জনাব গোলাম সাকলায়েন বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই মিলনমেলা। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এই আনন্দের দিনে বিত্তবান-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই যেন সমানভাবে আনন্দ উপভোগ করতে পারে, সেটাই হোক আমাদের লক্ষ্য। আমি দুর্গাপুর উপজেলার প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।”
ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জনপদ গঠনে রাজনীতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “রাজনীতি হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণের জন্য। হিংসা-বিদ্বেষ এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি কখনো কোনো জাতির কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। আমরা দুর্গাপুরে এমন এক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে পরমতসহিষ্ণুতা এবং গঠনমূলক আলোচনা প্রাধান্য পাবে। আসুন, আমরা কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে একটি সমৃদ্ধ ও আধুনিক দুর্গাপুর গড়তে ঐক্যবদ্ধ হই।
ঈদের এই খুশির আমেজ যেন কোনো শোকের ছায়ায় ঢাকা না পড়ে, সে বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন: প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে আমরা দেখি অসংখ্য তাজা প্রাণ অকালে ঝরে যায় শুধু বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে। আনন্দ করতে গিয়ে নিজের এবং অন্যের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলবেন না। আমি বিশেষভাবে অনুরোধ করছি, রাস্তাঘাটে মোটরসাইকেল বা অন্য যেকোনো যানবাহন চালানোর সময় ট্রাফিক আইন মেনে চলুন এবং অতিরিক্ত গতি পরিহার করুন। মনে রাখবেন, একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না।
সাবেক এই সফল চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে দুর্গাপুরের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তায় নিজের অতীতের কাজের স্মৃতিচারণ করেন এবং ভবিষ্যতে মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, একজন সমাজসেবক হিসেবে তিনি আজীবন অবহেলিত মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার থাকেন ভবিষ্যতেও তা চলমান থাকবে।
সবশেষে তিনি আবারও সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ কাটানোর অনুরোধ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ঈদের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তিজীবন ও সমাজজীবনে প্রতিফলন ঘটবে এবং মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি পাবে।
