ফেরিঘাটের র্যাম্প ধসে আতঙ্ক, প্রাণ বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ যাত্রীদের

সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে ফেরিঘাটে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফেরি ভেড়ার সময় পন্টুনের সাথে যুক্ত ধাতব র্যাম্পটি হঠাৎ খুলে পানিতে পড়ে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে পাশেই ২৫ জন যাত্রী নিয়ে অবস্থান করছিল একটি স্পিডবোট। র্যাম্পটি পড়ার অভিঘাতে সৃষ্ট স্রোতে স্পিডবোটটি কাত হয়ে গেলে আতঙ্কিত যাত্রীরা প্রাণ বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। সৌভাগ্যবশত, সাঁতরে তীরে ওঠায় বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এই দুর্ঘটনার কারণে ফেরিতে থাকা ২৩টি যানবাহন, যার মধ্যে ৯টি মোটরসাইকেল ছিল, প্রায় তিন ঘণ্টা আটকা পড়ে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ফেরির মাস্টার জানান, পন্টুন ও র্যাম্পের সংযোগস্থলটি এক সপ্তাহ ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিআইডব্লিউটিএ-এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে মন্তব্য পাওয়া না গেলেও, স্থানীয় যাত্রী সংগঠনগুলো এই রুটে নিয়মিত তদারকি এবং দক্ষ জনবল নিয়োগের দাবি জানিয়েছে। যাত্রীদের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
সূত্র: প্রথম আলো


