ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ ও গণগ্রেপ্তার নিয়ে তীব্র ক্ষোভ

একজন পুলিশ কর্মকর্তার বাসভবন থেকে ৮৫ জনকে আটক ও শাস্তির ঘটনায় নাগরিক অধিকার ও গোপনীয়তার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে। নৈতিকতার দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে এই ধরনের অনধিকার চর্চা ও হস্তক্ষেপ নিয়ে সচেতন মহলে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকদের মতে, কোনো সুস্পষ্ট অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার আগেই আইন প্রয়োগের নামে গণহারে এমন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ বিচারিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং এটি নাগরিক স্বাধীনতার চরম লঙ্ঘন।
রাষ্ট্রের মূল দায়িত্ব হলো প্রতিটি নাগরিকের গোপনীয়তা, সম্মান ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। কোনো সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ ছাড়া কেবল নৈতিকতার দোহাই দিয়ে কাউকে অভিযুক্ত করা বা গণহারে শাস্তি দেওয়ার এই প্রবণতা আইনের শাসনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মানবাধিকারকর্মীদের দাবি, ব্যক্তিগত পরিসরে রাষ্ট্রের এই ধরনের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে এবং আইনের প্রতিটি পদক্ষেপ যেন স্বচ্ছ ও যৌক্তিক হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
সূত্র: প্রথম আলো
