এক চেনা বিড়ালের দিনলিপি ও ক্ষুধার চিরচেনা আর্তি

সারাদিন বাইরে অন্য বিড়ালদের সঙ্গে ঘুরে বেড়িয়ে সময় কাটাত সে। তবে সূর্যাস্ত বা ক্ষুধার সময় ঘনিয়ে এলেই তার গন্তব্য হতো নির্দিষ্ট কোনো বাসার দরজা। পেট যখনই জানান দিত খাবারের অভাবের কথা, তখনই সে হাজির হতো পরিচিত সেই দুয়ারে। করুণ কণ্ঠে ‘মিউ মিউ’ স্বরে ডেকে নিজের ক্ষুধার কথা জানান দেওয়াই ছিল তার প্রতিদিনের জীবনচিত্র।
এভাবেই অজানাকে চেনা আর চেনা পথে খাবারের সন্ধানে কেটে যেত তার প্রতিটি দিন। কারো আশ্রয়ে না থাকলেও, প্রতিদিন খাবারের প্রয়োজনে মানুষের কাছাকাছি আসা আর ডাক দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করাই ছিল তার জীবনের একমাত্র রুটিন। এক মুঠো অন্ন বা একটুখানি ভালোবাসার আশায় প্রতিদিন সেই চেনা বারান্দায় ফিরে আসত সে, যেন এক নিঃশব্দ অঙ্গীকারে জড়িয়ে ছিল তার পুরো অস্তিত্ব।
সূত্র: প্রথম আলো
