📰 ই-পেপার
ব্রেকিং
স্থিতিশীল ঢাকার কম্পিউটার ও প্রযুক্তিপণ্যের বাজার বেহাল দশায় পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা: হারাচ্ছে সাগরকন্যার রূপ রাস্তার গর্ত শনাক্ত করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন তিন শতক পেরিয়েও চিরসবুজ গালিভারের ভ্রমণকাহিনি আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি: উত্তরসূরি খোঁজার চ্যালেঞ্জ স্থিতিশীল ঢাকার কম্পিউটার ও প্রযুক্তিপণ্যের বাজার বেহাল দশায় পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা: হারাচ্ছে সাগরকন্যার রূপ রাস্তার গর্ত শনাক্ত করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন তিন শতক পেরিয়েও চিরসবুজ গালিভারের ভ্রমণকাহিনি আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি: উত্তরসূরি খোঁজার চ্যালেঞ্জ
জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে কেন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা বিপজ্জনক?

October 29, 2026

Spread the love

ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে কেন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা বিপজ্জনক?

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে শরীরের হাড় ও পেশিতে অসহ্য যন্ত্রণার সৃষ্টি হয়, যাকে একসময় ‘হাড়ভাঙা জ্বর’ বলা হতো। এমন পরিস্থিতিতে উপশমের আশায় অনেকে নিজের ইচ্ছামতো ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করেন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। চিকিৎসকদের মতে, আইবুপ্রোফেন, নাপ্রোক্সেন, ডাইক্লোফেনাক বা অ্যাসপিরিনের মতো ওষুধ ডেঙ্গু রোগীর শরীরের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দেয়। তাই ডেঙ্গু সন্দেহে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যেকোনো ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকা জরুরি।

ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণে শরীরে অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যায় এবং রক্তনালির স্বাভাবিক কার্যকারিতা বিঘ্নিত হয়। এই অবস্থায় ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করলে তা অণুচক্রিকার রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করে। পাশাপাশি, এসব ওষুধ পাকস্থলীর সুরক্ষামূলক আবরণকে ক্ষতিগ্রস্ত করে আলসারের সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে শরীরের ভেতরে অনিয়ন্ত্রিত রক্তক্ষরণ শুরু হয়, যা রোগীর রক্তচাপ কমিয়ে দিয়ে তাকে শক সিন্ড্রোম বা প্রাণঘাতী পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে পারে। সাধারণ অবস্থায় নিরাপদ মনে হলেও ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে এই ওষুধগুলো মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। জ্বর ও ব্যথা নিয়ন্ত্রণে একমাত্র প্যারাসিটামল তুলনামূলক নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হলেও, তার মাত্রাও হতে হবে চিকিৎসকের নির্দেশিত।

সূত্র: প্রথম আলো

এই সংবাদের ফটো কার্ড বানিয়ে নিন —