চোট পাওয়ার পর গরম নাকি ঠান্ডা সেঁক—কোনটি বেশি কার্যকর?

খেলাধুলা বা দৈনন্দিন চলাফেরার সময় আঘাত পেলে অনেকেই দ্বিধায় পড়েন ব্যথা নিরাময়ে গরম না ঠান্ডা সেঁক ব্যবহার করবেন। চিকিৎসকদের মতে, আঘাতের শুরুতেই ব্যথার তীব্রতা যাচাই করা জরুরি। যদি আঘাত গুরুতর হয় এবং সংশ্লিষ্ট স্থান ফুলে যায়, তবে দ্রুত বরফের পট্টি বা ঠান্ডা কাপড়ের সেঁক দেওয়া সবচেয়ে কার্যকর, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ক্রায়ো থেরাপি’ বা ‘কোল্ড থেরাপি’ নামে পরিচিত। এক্ষেত্রে ‘রাইস’ (REST, ICE, COMPRESSION, ELEVATION) পদ্ধতি অনুসরণ করে আক্রান্ত স্থানে বিশ্রাম, বরফ প্রয়োগ, হালকা চাপ ও অঙ্গটিকে কিছুটা উঁচুতে রাখা আরামদায়ক হতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদী পেশির ব্যথার ক্ষেত্রে অবশ্য বিশেষজ্ঞরা ঠান্ডা ও গরম উভয় ধরনের সেঁকের সমন্বয়ে উপকার পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, চোট পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যারা ঠান্ডা সেঁক ব্যবহার করেছেন, তারা বেশি দ্রুত সুস্থ হয়েছেন। মূলত পেশির ক্ষত কমাতে ঠান্ডা পট্টি দীর্ঘমেয়াদে বেশ সহায়ক। মনে রাখা প্রয়োজন, এসব পদ্ধতি প্রাথমিক উপশমের জন্য কার্যকর হলেও হাড়ের চিড় বা গুরুতর চোটের ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।
সূত্র: প্রথম আলো
