শিরোনাম :
দূর্গাপুরে নতুন শিল্পীদের খোঁজে শুরু হচ্ছে ‘নিয়ামতপুরে ভূমি সেবা সংক্রান্ত গণশুনানি অনুচারঘাট মডেল থানার এএসআইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তচারঘাটে নারী সহায়তা ফোরামের সঙ্গে উপজেলা প্ররাজশাহীতে র‍্যাব-৫ এর পৃথক অভিযানে ১০টি গাঁজগভীর রাতে র‍্যাবের জালে পুঠিয়ার গাঁজা চাষিশিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে চোরাই মোবামেধাবী ও রোমাঞ্চকর জীবনসঙ্গী: সাংবাদিকের সাথবেনাপোল বন্দরের জব্দকৃত পণ্য বদলের অভিযোগ, ২.চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় বর্জ্য পৃথকীকরণ কার

সারের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম রোধে কৃষি কর্মকর্তার কঠোর হুঁশিয়ারি

Spread the love

রবিউল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর দুর্গাপুরে কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সারের ডিলারদের সাথে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের মিনি হলরুমে বিসিআইসি ও বিএডিসি সার ডিলারদের সাথে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় এই কঠোর বার্তা দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্বকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনী ডিলারদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কৃষকদের জিম্মি করে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা যাবে না। পর্যাপ্ত সার মজুদ থাকা সত্ত্বেও যদি কেউ অনৈতিকভাবে মূল্যবৃদ্ধি বা মজুদদারির চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তিনি আরও নির্দেশ দেন যে, প্রতিটি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কৃষকদের অবশ্যই ক্যাশ মেমো প্রদান করতে হবে এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যের এক পয়সাও বেশি নেওয়া যাবে না।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু সারের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসনের নিরবচ্ছিন্ন নজরদারির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষ অতিথি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস কৃষিখাতের সামগ্রিক উন্নয়নে ডিলারদের সততার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন— লাল মোহাম্মদ সরদার (কাশেমপুর), শিপন কুমার শাহা (দুর্গাপুর), সাবিনা খান (নারায়ণপুর), গোপীনাথ ঘোষ (কাঁঠালবাড়িয়া), নাজিম উদ্দীন (পালি), ফজলুর রহমান (হাটকানপাড়া) ও সেলিম সরকার (সিংগা)। এছাড়াও বিএডিসি’র ১২ জন ডিলারসহ স্থানীয় কৃষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভার মূল লক্ষ্য ছিল সারের বাজার সিন্ডিকেট মুক্ত রাখা এবং অপপ্রচার রোধে ডিলারদের সচেতন করা। কৃষি কর্মকর্তার এই কঠোর নির্দেশনার পর স্থানীয় কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top