
সমিত রায়,স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজশাহী
বাগমারার যোগীপাড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি নজিবর রহমানের বিরুদ্ধে কৃষকদের বঞ্চিত করে একটি গভীর নলকূপ অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) বাগমারা জোনের সহকারী প্রকৌশলী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে এলাকার কৃষকদের পক্ষে পৃথকভাবে দুইটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগপত্রে যোগীপড়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম, আাজিজুল হক ও মকলেছুর রহমানসহ এলাকার ৮৯ জন কৃষক স্বাক্ষর করেছেন।
জানা গেছে, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) এর অধীনে কৃষকদের জমিতে সেচসুবিধার জন্য সম্প্রতি যোগীপাড়া ইউনিয়নের যোগীপাড়া গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিনের জমিতে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়। ওই সময় সংশ্লিষ্ট বিএমডিএ কর্তৃপক্ষ জমির মালিক মমতাজ উদ্দিনের ছেলে মোতালেব হোসেনকে অপারেটর হিসাবে নিয়োগ দেওয়া প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে আজিজার রহমান নামে স্থানীয় এক আলীগ নেতাকে অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর রহস্যজনক কারণে আজিজার রহমানকেও বাদ দিয়ে যোগীপাড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি নজিবর রহমানকে অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই গভীর নলকূপের আওতায় নজিবর রহমানের কোনো জমি না থাকা সত্বেও তাকে অপারেটর হিসাবে নিয়োগ দেওয়ায় এলাকার কৃষকদের মাধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে গভীর নলকূপটি নজিবর রহমান এবং তার সহযোগী স্থানীয় আ.লীগ নেতা কামাল হোসেন ও আব্দুল খালেকের যৌথ সিদ্ধান্তে পরিচালিত হওয়ায় কৃষকদের কাছে থেকে অতিরিক্ত সেচভাড়া আদায় করা হচ্ছে এবং বোরো ও আউশ মওসুমে কৃষকদের জমি থেকে চার ভাগের এক ভাগ হারে ধান কেটে নেওয়া হয়। এতে কৃষকরা চাষাবাদ করে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। তবে অভিযুক্ত নজিবর রহমান এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) এর নিয়ম মেনেই গভীর নলকূপটি পরিচালিত হচ্ছে। এদিকে বিএমডিএ বাগমারা জোনের উপসহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম উজ্জল বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন।
