এক অবিস্মরণীয় অবিসংবাদিত জননেতা ছিলেন ডঃ সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়া।
মোঃ মিজানুর রহমান
সিলেট প্রতিনিধি।

সিলেট জেলা ঐতিহ্যবাহী গোলাপগন্জ উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের একজন সাদা মনের অতি সহজ সরল মনা ব্যাক্তি ছিলেন ডঃ সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়া লেখা পড়ার জীবনে যেমন ছিলেন মেধাবী এবং টেলেন্ট। ঠিক কর্ম জীবনে ও ছিলেন একজন বিচক্ষণ দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নানান গুনে গুণান্বিত একজন ব্যাক্তি। তিনি এমন একজন লোক ছিলেন আমার জানামতে বিশেষ করে গোলাপগন্জ এবং বিয়ানীবাজারের এমন একজন লোক নেই, যে বলতে পারেন যেকোন সমস্যা হোক সেটা ব্যাক্তিগত,সামাজিক, রাজনৈতিক বা অন্য যেকোন বিষয় তিনির স্বরনাপন্ন হয়েছেন আর সেই সমস্যা সমাধান হয়নি। জীবনে দুই দুইবার গোলাপগন্জ বিয়ানীবাজার বাসির জনগণের সুচিন্তিত বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে মহান জাতীয় সংসদে গিয়ে এলাকাবাসীর সেবা করার সুযোগ পেয়েছেন। এবং সরকারের অনুদানের তোয়াক্কা না করে ও নিজের অর্থায়নে নিজস্ব উদ্যোগে যে পরিমান কাজ এলাকাবাসীর করেছেন। গোলাপগঞ্জ বিয়ানীবাজার বাসি তা কোন দিনও ভুলার না।
তিনি প্রায় সময় বলতেন সুরমা নদীর পানি শুকাতে পারে কিন্তু আমি ডঃ সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়ার সম্পদ কমবে না। এটা ছিল তার সৎ হালাল এবং আত্মবিশ্বাসী মনবলের বহিঃপ্রকাশ। তিনি ছিলেন একজন ন্যায়পরায়ন মানুষ। গরীব অসহায় মানুষের সব সময় পাশে থাকতেন। তিনি নিজস্ব উদ্যোগে এবং অর্থায়নে গোলাপগন্জ বিয়ানীবাজারে অসংখ্য অগনিত মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল কলেজ স্হাপন করে গেছেন। ডঃ সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়ার সমাজ সেবা মুলক কর্মকান্ডের নিকট অনেকটা দায়বদ্ধ। তার রেখে যাওয়া সবচেয়ে বড় উপহার হচ্ছে তার আদর্শে উজ্জীবীত আদর্শিত অনুগত তারই সুযোগ্য কন্যা সৈয়দা আদিবা হোসেন। “যেমন বাবা তেমন মেয়ে”।


