সংগীত রুচির অহমিকা ও নতুন প্রজন্মের কাছে বাবার শিক্ষা

নিজের সংগীত রুচি নিয়ে একসময় বেশ গর্ব ছিল লেখকের, নিজেকে তিনি অন্যদের চেয়ে কিছুটা আলাদা ও উন্নত রুচির অধিকারী বলেই মনে করতেন। তবে সন্তানদের সাথে কাটানো সময় এবং তাদের সাথে গান শোনার অভিজ্ঞতা সেই ধারণা বদলে দিয়েছে। এক গ্রীষ্মের বিকেলে গাড়িতে বসে সপরিবারে গান গাওয়ার সময় হঠাৎ নিজের প্রতি এক অদ্ভুত লজ্জা অনুভব করেন তিনি। তরুণ বয়সের সেই ‘কুল’ ও মার্জিত রুচির মানুষটি যেন বর্তমানের এই পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে হতাশায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল। এ ঘটনা তাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে যে, সংগীতের প্রতি তার যে একগুঁয়ে অহমিকা ছিল, তা কতটা ভিত্তিহীন।
লেখক বুঝতে পেরেছেন যে, তার সন্তানদের কাছে সংগীত হয়তো তার প্রজন্মের মতো ব্যক্তিগত পরিচয়ের একমাত্র উৎস নয়। তবুও ভালো সুর ও ছন্দের প্রতি তাদের সহজাত দক্ষতা রয়েছে। সন্তানদের সাথে এই সময় কাটানো তাকে সংগীত সম্পর্কে তার আগের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করেছে। তিনি স্বীকার করেছেন, সন্তানরাই তাকে শিখিয়েছে যে সংগীতের ক্ষেত্রে ‘স্নব’ বা উচ্চমার্গীয় হওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং সুরের আনন্দকে সহজভাবে গ্রহণ করাই প্রকৃত রসবোধের পরিচয়।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
