শিরোনাম :
স্বামীকে কারামুক্তির টোপ: ডিবি পরিচয়ে ১০ লাখ নওগাঁর নিয়ামতপুরে ফিলিং স্টেশনে পুলিশের উপদৈনিক সোনার দেশ পত্রিকা অফিসে আগুন:নথিপত্র পদুর্গাপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান,প্রযুক্তি মেতাহেরপুরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংসমিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে কৃষক দল নেতাসংস্কারের বকেয়া রেখে হালখাতা খুলেছে সরকার: দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর অতর্কিত হামলা: আহউৎসবের রঙে রঙিন গোদাগাড়ী মঙ্গল শোভাযাত্রা ও নতুনের আহ্বানে দুর্গাপুরের কৃষকের সমৃদ্ধি ক

সংস্কারের বকেয়া রেখে হালখাতা খুলেছে সরকার: গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি নাহিদ ইসলামের

Spread the love

পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের আহ্বান; সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সংস্কারের বকেয়া রেখেই সরকার নতুন বছরের হালখাতা খুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন নাহিদ ইসলাম। তিনি দ্রুত গণভোটের রায় অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় এনসিপির পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন,
নতুন বছর মানেই নতুন প্রত্যাশা। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ চাই, যেখানে জনগণের অধিকার ও ন্যায্য দাবি বাস্তবায়িত হবে।

তিনি এ সময় তরুণ প্রজন্মের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

নাহিদ ইসলাম বলেন, পয়লা বৈশাখে হালখাতা খোলার মাধ্যমে যেমন সব বকেয়া পরিশোধ করা হয়, তেমনি জাতীয় জীবনের বকেয়া পরিশোধ করাও জরুরি। তার ভাষায়, সেই বকেয়া হচ্ছে “জুলাই সনদ”।

তিনি অভিযোগ করেন,
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, নির্বাচন—সবই হয়েছে। কিন্তু জনগণ এখনো প্রত্যাশিত সংস্কার পায়নি। ফলে সরকার সংস্কারের বকেয়া রেখেই হালখাতা খুলেছে।

নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো বাতিল করে বর্তমান সরকার জনগণের সঙ্গে বেইমানি করেছে।

তিনি বলেন,
এই অধ্যাদেশগুলোকে দ্রুত বিল আকারে সংসদে এনে আইনে পরিণত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা গণভোটের রায় অমান্য করছে বা তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে, তাদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন—
অচিরেই গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, অতীতে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে। একইভাবে বিভিন্ন উৎসবকেও দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখা হয়নি।

তিনি বলেন,
“আমরা এখন এসব উৎসবকে নাগরিক উৎসব হিসেবে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। সংস্কারের লড়াইয়ের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক মুক্তির লড়াইও চলবে।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top