শিরোনাম :
গাছ বাঁচান, পৃথিবী বাঁচান: পুঠিয়ার বানেশ্বরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন, বেরিয়ে এচাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ২,০৮৫ বোতল সচাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদকবিরচাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮ আসামসর্বনিম্ন দরদাতা বঞ্চিতের অভিযোগ, পুঠিয়া স্বচাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযানপুঠিয়ায় তিন ফসলি জমিতে পুকুর খননের হিড়িক, সংকচাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে ৪০০ গ্রাম গজনবল ও অ্যাম্বুলেন্স সংকটে গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা

স্বপ্ন যখন ব্লকচেইনে: বিশ্ব ক্রিপ্টো বাজারে রাজশাহীর তরুণ রওনক রওশনের বড় চমক

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী বাংলাদেশের প্রযুক্তি বিশ্বে বর্তমানে নতুন এক বিস্ময়ের নাম রওনক রওশন। রাজশাহীর এই তরুণ একইসাথে একজন সফল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার এবং এসইও (SEO) বিশেষজ্ঞ। তবে এবার তিনি সংবাদ শিরোনামে এসেছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং সাহসী এক কারণে। আন্তর্জাতিক ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে বড় ধরনের কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশীয় টেক কমিউনিটিতে রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তিনি।

ভবিষ্যতের অর্থনীতি ও ‘পিকিউভাইব’ (PQVIBE)
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, রওনকের এই বিনিয়োগ কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। মূলত তার নিজস্ব ফিউচারিস্টিক টেক ব্র্যান্ড ‘পিকিউভাইব’ (PQVIBE)-কে বিশ্বমানের উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনারই অংশ এটি। আগামী দিনের ওয়েব থ্রি (Web3) এবং ডিসেন্ট্রালাইজড ফাইন্যান্স (DeFi) প্রযুক্তির সাথে নিজের প্রজেক্টগুলোকে একীভূত করতেই তিনি এই মাস্টারপ্ল্যান সাজিয়েছেন।

নিজের এই ভিশন সম্পর্কে রওনক রওশন বলেন: “আগামী বিশ্বের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হবে ব্লকচেইন প্রযুক্তি। একজন প্রযুক্তিপ্রেমী হিসেবে আমি সবসময় নিজেকে সময়ের চেয়ে এগিয়ে রাখতে পছন্দ করি। PQVIBE-এর মূল লক্ষ্যই হলো পরবর্তী প্রজন্মের জন্য উদ্ভাবনী কিছু উপহার দেওয়া। আমার এই বিনিয়োগ সেই লক্ষ্য পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।”

রওনকের এই যাত্রার সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক হলো তার সময় ব্যবস্থাপনা। একদিকে তিনি যখন আন্তর্জাতিক ক্রিপ্টো মার্কেটের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ এবং নিজের ওয়েবসাইটের মনিটাইজেশন নিয়ে কাজ করছেন, ঠিক অন্যদিকে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিচ্ছেন জোর প্রস্তুতি। পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববাজারের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার এই বিরল সক্ষমতা বর্তমান তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

দেশের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রওনকের মতো তরুণ ডেভেলপার ও ইনফ্লুয়েন্সাররা যখন আন্তর্জাতিক ফিনটেক (FinTech) বাজারে পা রাখেন, তখন তা দেশের সামগ্রিক ডিজিটাল অর্থনীতির সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে। তার এই পদক্ষেপ নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে কাজ করতে উৎসাহিত করবে।

এখন দেখার বিষয়, ব্লকচেইনের এই নতুন দুনিয়ায় রওনক এবং তার ড্রিম প্রজেক্ট ‘পিকিউভাইব’ প্রযুক্তি বিশ্বে ঠিক কতটা প্রভাব ফেলতে পারে। তবে তার এই শুরুটা যে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top