শিরোনাম :
দুর্গাপুরে ৬৭০ বস্তা সার উদ্ধারের ঘটনায় প্রশসাগর-রুনি হত্যার বিচার ও সাংবাদিক হয়রানি বন্সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ইয়াবা-সিরাপসহ আটবড়গাছী স্কুল অ্যান্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূমান্দায় চারা-ঋণ নিয়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সবতানোরে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, আত্মহত্যআওয়ামী লীগ নেতা এস এম শাহীনুজ্জামান আটক, মানব শরৎগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব থেকচাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মদ-শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতি

দুর্গাপুরে অপপ্রচার ও প্রকাশিত সংবাদ এর প্রতিবাদে মুখ খুললেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক গোলাম সাকলায়েন

Spread the love

দুর্গাপুর,রাজশাহী, প্রতিনিধি: রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম সাকলায়েনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক গোলাম সাকলায়েন দাবি করেন, ভিডিওটি সম্পাদনা (এডিট) করে তাঁর বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং রাজনৈতিকভাবে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, দলের প্রতি তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। প্রয়োজনে তিনি বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের কাছে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের আবেদন জানাবেন, যাতে প্রকৃত সত্য সবার সামনে উঠে আসে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হলেও স্থানীয় অনেক বাসিন্দা ও তাঁর সমর্থকদের দাবি, ভিডিওটির প্রকৃত প্রেক্ষাপট যাচাই না করেই নানা ধরনের নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তাঁদের মতে, এটি একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা হতে পারে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, গোলাম সাকলায়েন দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা ও কৃষি খাতে উৎসাহ প্রদান এবং স্থানীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অংশগ্রহণের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন পরিচিত, সৎ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা, আসন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গোলাম সাকলায়েনের নাম আলোচনায় থাকায় তাঁকে নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাঁর সমর্থকদের দাবি, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আগে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।

দলীয় সূত্রেও জানা গেছে, ভিডিওটির সময়, প্রেক্ষাপট ও সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও বলেছেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সমীচীন নয় এবং দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গোলাম সাকলায়েনের শুভাকাঙ্ক্ষীরা মনে করেন, একজন রাজনৈতিক নেতার দীর্ঘদিনের সামাজিক অবদান ও জনসম্পৃক্ততাকে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি খণ্ডিত বা সম্পাদিত ভিডিও দিয়ে একজন ব্যক্তির সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের বিচার করা ঠিক নয়। তাই তাঁরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং জনগণের সেবায় তাঁর ধারাবাহিক ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ৪ নম্বর ইউনিয়নের যুগিশো গ্রামের সন্তান গোলাম সাকলাইন ছাত্রজীবন থেকেই আত্মনির্ভরশীল হওয়ার স্বপ্ন লালন করেন। ১৯৯৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়নে অনার্স অধ্যয়নকালে কৃষিকে কেন্দ্র করে কিছু করার পরিকল্পনা নেন। পরবর্তীতে তিনি নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন। পাঁচ বছর ৪ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, শিক্ষিত, কর্মঠ ও পরোপকারী ব্যক্তি হিসেবে গোলাম সাকলাইন দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। তাই নিজ গ্রামসহ আশপাশের এলাকার অনেক তরুণের কাছেও তিনি একজন অনুপ্রেরণার নাম।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top