লক্ষিন্দরকে মডেল ও সন্ত্রাস-মাদকমুক্ত ডিজিটাল ইউনিয়নে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি সাইফুল ইসলাম তরফদারের
মোঃ মতউর রহমান, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী লক্ষিন্দর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ ও মতবিনিময় শুরু করেছেন এলাকার প্রবীণ রাজনীতিক ও প্রখ্যাত সমাজসেবক জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম তরফদার। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সামাজিক সুনামের ওপর ভিত্তি করে তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা কামনা করেছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক অভিজ্ঞতার জীবনে জনাব সাইফুল ইসলাম তরফদার তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ। তিনি সাবেক বৃহত্তর রসুলপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন সততা ও দক্ষতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি ছিলেন সদাতৎপর।
রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিকে সুসংগঠিত করতেও তার রয়েছে অনবদ্য অবদান। বর্তমানে তিনি লক্ষিন্দর ইউনিয়নের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র ‘গারোবাজার পরিচালনা কমিটি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দূরদর্শী পরিচালনায় বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থ সুরক্ষায় একাধিক প্রশংসনীয় পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হয়েছে।
জনগণের কল্যাণে ভবিষ্যৎ রূপরেখায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে এক মতবিনিময় সভায় সাইফুল ইসলাম তরফদার তার প্রত্যাশা ও উন্নয়ন ভাবনা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন:
“লক্ষিন্দর ইউনিয়নের জনগণ যদি ভোট দিয়ে আমাকে সেবার সুযোগ প্রদান করেন, তবে আমি পদ-পদবির পেছনে না ছুটে সার্বক্ষণিক মানুষের পাশে থাকব। অতীতে দেখা গেছে— অনেকেই ভোটের আগে জনগণের দ্বারে দ্বারে গেলেও জয়ের পর সাধারণ মানুষ তাদের ঠিকমতো খুঁজে পায় না, বিপদ-আপদে সেবা পাওয়া তো দূরের কথা। আমি এই পুরোনো সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে চাই। নাগরিক যেন যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি আমাকে পাশে পান, সেই পরিবেশ গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”
ইউনিয়নবাসীকে একটি আদর্শ ও আধুনিক ইউনিয়ন উপহার দিতে তিনি কয়েকটি বিশেষ অগ্রাধিকার ঘোষণা করেছেন:
মাদক ও ঘুষমুক্ত ইউনিয়ন: যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে মাদক ও সকল প্রকার দুর্নীতি প্রতিরোধ করা।
ডিজিটাল সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ: নাগরিক সনদ, জন্ম নিবন্ধনের মতো সেবাগুলো সহজ ও দ্রুত উপায়ে পাওয়ার জন্য একটি আন্তর্জাতিক মানের ‘ডিজিটাল ইউনিয়ন পরিষদ’ গঠন।ন্যায্য পাওনা প্রদান: সরকারি অনুদান, বয়স্ক ও বিধবা ভাতা সহ সকল সুবিধা প্রকৃত প্রাপ্য ব্যক্তিদের হাতে স্বচ্ছতার সাথে পৌঁছানো।অবকাঠামো উন্নয়ন: ইউনিয়নের সংযোগ সড়ক, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও হাট-বাজারের পরিবেশ আধুনিকায়ন।
সর্বশেষে তিনি বলেন, “পদবি আমার উদ্দেশ্য নয়, লক্ষিন্দর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসাই আমার মূল চালিকাশক্তি। ইনশাআল্লাহ, সবার দোয়া ও সমর্থনে আমরা একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও আধুনিক লক্ষিন্দর ইউনিয়ন গড়ে তুলব।”
