দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, কাল থেকে যাত্রীবাহী ফ্লাইটে মুখরিত হবে সিডনির নতুন বিমানবন্দর

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাজেরিস ক্রিকে নবনির্মিত ‘ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (ন্যান্সি-বার্ড ওয়ালটন) আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রস্তুত। প্রায় আট দশকের রাজনৈতিক জটিলতা ও দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে এই বিমানবন্দর চালু হওয়া অস্ট্রেলিয়ার এভিয়েশন খাতের ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক। ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই বিমানবন্দরে কোনো প্রথাগত কন্ট্রোল টাওয়ার নেই, বরং সম্পূর্ণ ডিজিটাল রিমোট ব্যবস্থার মাধ্যমে আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
এই বিমানবন্দরের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো এর ২৪ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম, যেখানে কোনো নৈশকালীন নিষেধাজ্ঞা নেই। শুরুতে বছরে এক কোটি যাত্রী ধারণক্ষমতা নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও ধাপে ধাপে তা আট কোটিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। জেটস্টার, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস এখানে কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিয়েছে। যদিও যাতায়াত ও গণপরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে কিছুটা চ্যালেঞ্জের আশঙ্কা রয়েছে, তবুও প্রকল্পটি সিডনির অর্থনীতিতে ব্যাপক গতি সঞ্চার করবে বলে আশা করা হচ্ছে। মূল শহর থেকে দূরত্বের বিষয়টি কাটিয়ে উঠতে পারলে এটি পুরো অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।
সূত্র: প্রথম আলো


