সৃজনশীল শিল্পকে দেশের অর্থনীতির নতুন শক্তি হিসেবে গড়ে তুলছে সরকার

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চাবিকাঠি হিসেবে শিল্প, সংস্কৃতি ও কারুশিল্পকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘ক্রিয়েটিভ ফুটপ্রিন্টস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী জানান, সৃজনশীল খাতকে কেবল শিল্পকলার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একে দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। প্রথাগত অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে এসে এই খাতকে 'সফট পাওয়ার' বা সাংস্কৃতিক শক্তি হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এই লক্ষ্য অর্জনে শিল্পী ও কারুশিল্পীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আর্থিক অনুদান এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য বিপণনের সুযোগ তৈরি করবে সরকার। বিশেষ করে অ্যামাজন, ইবে ও আলিবাবার মতো বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দেশীয় পণ্যের সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে সঙ্গে নিয়ে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে এই খাতকে সমৃদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রান্তিক শিল্পীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে, অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন পথও প্রশস্ত হবে।
সূত্র: প্রথম আলো


