ইয়েমেন সংঘাতে জড়াতে কেন সতর্ক মিশর? ফিরে আসছে ষাটের দশকের দুঃসহ স্মৃতি

সৌদি আরবের ওপর হুথি বিদ্রোহীদের আক্রমণ মোকাবিলায় সামরিক সহায়তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে মিশর। তবে এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি জড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে দেশটি চরম সতর্কতা অবলম্বন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, রিয়াদের সাথে কৌশলগত মিত্রতা থাকা সত্ত্বেও মিশরের নীতিনির্ধারকরা অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে চাচ্ছেন। বিশেষ করে ১৯৬০-এর দশকে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে মিশরের সামরিক হস্তক্ষেপের স্মৃতি আজও দেশটির নীতিনির্ধারকদের শঙ্কিত করে তোলে। সেই সময়কার দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি মিশরীয়দের জন্য এক কঠিন অধ্যায় হয়ে আছে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি বেশ জটিল আকার ধারণ করায় মিশর নতুন কোনো সামরিক অভিযানে নামার আগে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে ভাবছে। অতীতের সেই সামরিক অভিযানের সীমাবদ্ধতা এবং তার নেতিবাচক প্রভাবগুলো আজও মিশরের কৌশলগত চিন্তায় প্রভাব ফেলে। ফলে সৌদি আরবের সুরক্ষায় সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হলেও, সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের ব্যাপারে মিশরের বর্তমান অবস্থান অত্যন্ত রক্ষণশীল। পুরনো সেই ঐতিহাসিক শিক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তার হিসাব-নিকাশই মূলত ইয়েমেন ইস্যুতে মিশরের সাবধানী পদক্ষেপের মূল কারণ।
সূত্র: আল জাজিরা


