ঈর্ষাকেই করুন সাফল্যের সোপান: নেতিবাচক অনুভূতি থেকে পাওয়ার উপায়

সাধারণত ঈর্ষাকে একটি ক্ষতিকর ও কদর্য অনুভূতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা আমাদের মনে কেবল তিক্ততাই ছড়ায়। তবে নতুন একটি বইয়ে সমাজবিজ্ঞানী ও লাইফ কোচ স্টেসি কিম এই দৃষ্টিভঙ্গিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। তাঁর মতে, ঈর্ষাকে অবদমিত না করে বরং একে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করলে তা জীবনের লক্ষ্য অর্জনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। ‘এনভি: হোয়াই ওয়ান্টিং হোয়াট দে হ্যাভ ইজ দ্য কি টু গেটিং হোয়াট ইউ ওয়ান্ট’ শীর্ষক বইটিতে তিনি দেখিয়েছেন, অন্যের প্রতি জন্মানো ঈর্ষা আসলে আমাদের নিজেদের গোপন আকাঙ্ক্ষাকে চিনে নিতে সাহায্য করে।
লেখক তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সমাজবিজ্ঞানের গবেষণার আলোকে ঈর্ষাকে ইতিবাচক খাতে প্রবাহিত করার কয়েকটি কৌশলের কথা বলেছেন। তাঁর মতে, আমরা কেবল তখনই ঈর্ষা অনুভব করি যখন কোনো লক্ষ্য আমাদের নাগালের ভেতর থাকে। ঈর্ষার তীব্রতা ও স্থায়িত্ব বিশ্লেষণ করে নিজের কাঙ্ক্ষিত ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত করা সম্ভব। সঠিক উপায়ে এই আবেগকে কাজে লাগাতে পারলে তা আত্মউন্নয়নের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। বইটির মাধ্যমে তিনি পাঠকদের শেখাচ্ছেন কীভাবে ঈর্ষাকে হিংসায় রূপান্তর না করে বরং নিজের উন্নতির অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করতে হয়।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


