কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে ভূত শিকারের সনাতন রীতি

আধুনিক প্রযুক্তির আশীর্বাদে ভূত অনুসন্ধানের প্রচলিত ধারা এখন আমূল পরিবর্তিত হচ্ছে। এক সময়ের হাতে গোনা সরঞ্জামের বদলে এখন স্মার্টফোনের বিভিন্ন অ্যাপ ও সফটওয়্যার ব্যবহার করছেন শখের ভূত শিকারিরা। অ্যামি ওয়েন এবং জ্যারড কাটিংয়ের মতো গবেষকরা তাদের উদ্ভাবিত ‘ঘোস্টটিউব সিয়ার’ (GhostTube Seer)-এর মতো অ্যাপ ব্যবহার করছেন, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ভূতের উপস্থিতি শনাক্ত করার দাবি করে। মূলত ডিভাইসের সেন্সর থেকে পাওয়া সিগন্যালকে নির্দিষ্ট শব্দের সাথে মিলিয়ে এই অ্যাপ কাজ করে। গুগল প্লে স্টোরে এই অ্যাপটির ১০ লাখেরও বেশি ডাউনলোড রয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে প্রযুক্তিনির্ভর এই গবেষণার জনপ্রিয়তা বাড়ছে।
তবে এই নতুন প্রযুক্তি নিয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। অনেকের মতে, চ্যাটজিপিটি আসার পর ইন্টারনেটে এআই দ্বারা তৈরি ভুতুড়ে গল্প ও ছবির সয়লাব ঘটেছে, যা প্রকৃত অনুসন্ধানের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এআই-এর এই অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব ঠেকাতে বিভিন্ন অনলাইন ফোরাম কঠোর নিয়ম নীতি আরোপ করতে বাধ্য হচ্ছে। একদিকে প্রযুক্তির ব্যবহারে ভূত অনুসন্ধানে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে, অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবাধ ব্যবহার নিয়ে খোদ এই জগতের মানুষরাই উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
