ফোর-ডিএক্স প্রযুক্তিতে নতুন অভিজ্ঞতা: অলিভিয়া কোলম্যানের অদ্ভুত প্রেমের সিনেমা

সাধারণত অ্যাকশন বা অ্যাডভেঞ্চার ঘরানার সিনেমার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার জন্য 'ফোর-ডিএক্স' (4DX) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে অলিভিয়া কোলম্যান অভিনীত একটি ভিন্নধর্মী ও রোমান্টিক সিনেমা ‘উইকার’ (Wicker)। সাধারণত বড় বাজেটের সিনেমার গতিময় দৃশ্য, ধাওয়া বা যুদ্ধের দৃশ্যকে জীবন্ত করে তুলতেই আসন নড়াচড়া বা বাতাসের ঝাপটার মতো বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে এই সিনেমাটি সেই প্রথা ভেঙে দর্শকদের এক নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করেছে।
অলিভিয়া কোলম্যান এবং আলেকজান্ডার স্কার্সগার্ড অভিনীত এই ফোক-হরর সিনেমাটি মূলত একটি অদ্ভুত প্রেমের গল্পের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, যেখানে কোলম্যানের চরিত্রটি একটি উইকার ম্যানের প্রেমে পড়ে। সিনেমার দৃশ্যগুলোকে আরও বাস্তবসম্মত ও সংবেদনশীল করে তুলতে ফোর-ডিএক্স প্রযুক্তির ব্যবহার এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে। এতদিন ধরে এই প্রযুক্তিটি কেবল টর্নেডো বা রেসিং মুভির মতো হাই-ভোল্টেজ সিনেমার জন্য জনপ্রিয় থাকলেও, ‘উইকার’ সিনেমাটি প্রমাণ করল যে সেন্সরি অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সিনেমার গল্পকে দর্শকদের কাছে আরও নিবিড়ভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
