মঞ্চনাটকে ভৌতিক আবহ তৈরিতে নেপথ্যের কারিগরদের রোমহর্ষক কৌশল

মঞ্চে ভৌতিক নাটক মানেই দর্শকদের মনে ভয়ের শিহরণ জাগানো। ‘ব্ল্যাকআউট’ বা ‘টুয়েন্টি টু: আ ঘোস্ট স্টোরি’-এর মতো জনপ্রিয় সব হরর নাটকে দর্শকদের আতঙ্কিত করার পেছনে কাজ করে গভীর পর্যবেক্ষণ ও বিশেষ কিছু কৌশল। মঞ্চনাটকের নির্মাতারা জানান, বাস্তব জীবনের অদ্ভুত ও ভীতিপ্রদ অভিজ্ঞতাগুলোই অনেক সময় গল্পের অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। যেমন, পরিচালক স্যাম বিচ তার ব্যক্তিগত জীবনের এক রহস্যময় ও ভীতিকর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই ‘ব্ল্যাকআউট’ নাটকটি নির্মাণ করেছেন, যেখানে অন্ধকার ও অদৃশ্য কোনো কিছুর উপস্থিতি দর্শকদের স্নায়ুচাপ বাড়িয়ে দেয়।
নাটকীয় ভয়ের এই আবহে দৃশ্যমান জিনিসের চেয়ে অদেখা বা অনুভবের বিষয়টি বেশি কার্যকর। ‘প্যারানরমাল অ্যাক্টিভিটি’ নাটকের বিভ্রম ডিজাইনার ক্রিস ফিশারের মতে, দর্শকদের সরাসরি ভয়ের কারণ না দেখিয়ে বরং শব্দের কারসাজি ও ছায়ার খেলা দিয়ে তাদের কল্পনাকে উসকে দেওয়াই হলো আসল কৌশল। এতে অদেখা এক বিপদের আতঙ্ক দর্শকদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে, যা সরাসরি কোনো দৃশ্য দেখানোর চেয়েও বেশি ভয়ংকর। মূলত মানুষের সহজাত ভয় এবং অজানা শঙ্কাকে পুঁজি করেই মঞ্চের হরর শোগুলো দর্শকদের শিহরিত করে তোলে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
