স্ট্যানলি ম্যাথিউসের পথ ধরে হ্যারি কেন: ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের চিরন্তন আভিজাত্য

ফুটবলের আধুনিক যুগে যখন দলগত রণকৌশল বা ‘সিস্টেম’ সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান পাচ্ছে, ঠিক তখনই ব্যক্তিগত দক্ষতাকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় উঠে আসছে। ১৯৫৬ সালে স্ট্যানলি ম্যাথিউসের ব্যালন ডি’অর জয়ের পেছনে মূল চালিকাশক্তি ছিল তার অদম্য ব্যক্তিগত প্রতিভা ও ইচ্ছাশক্তি। বর্তমান ফুটবলে হ্যারি কেনের খেলার ধরনে সেই একই আভিজাত্য ও একক প্রভাবের প্রতিফলন খুঁজে পাওয়া যায়, যা তাকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় আসীন করেছে।
আধুনিক ফুটবলের এই দলীয় কাঠামোবদ্ধ রূপটি ১৯৬৩ সালে ওয়েম্বলিতে এসি মিলান ও বেনফিকার মধ্যকার ইউরোপীয় কাপের ফাইনাল থেকে জন্ম নেয়। সেই ম্যাচে জিনো পিভাতেলির একটি ফাউল খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। বেনফিকার প্লে-মেকার মারিও কোలుনাকে পরিকল্পিতভাবে আঘাত করার ফলে মাঠের একক কারিশমা স্তিমিত হয়ে পড়ে এবং দলগত কৌশল বা সিস্টেমের জয়গান শুরু হয়। দীর্ঘ ছয় দশক পেরিয়ে আজ যখন ফুটবল কৌশলগত জালে বন্দি, তখন হ্যারি কেনের মতো খেলোয়াড়রা ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের সেই পুরোনো ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করে চলেছেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


