শিরোনাম :
দুর্গাপুরে ৬৭০ বস্তা সার উদ্ধারের ঘটনায় প্রশসাগর-রুনি হত্যার বিচার ও সাংবাদিক হয়রানি বন্সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ইয়াবা-সিরাপসহ আটবড়গাছী স্কুল অ্যান্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূমান্দায় চারা-ঋণ নিয়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সবতানোরে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, আত্মহত্যআওয়ামী লীগ নেতা এস এম শাহীনুজ্জামান আটক, মানব শরৎগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব থেকচাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মদ-শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতি

দুর্গাপুরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

Spread the love

দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ৫ নম্বর ঝালুকা ইউনিয়নের আমগাছি বাজারে স্থানীয়দের উদ্যোগে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন ভুক্তভোগী পরিবার, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, আমগাছি পশ্চিমপাড়া গ্রামের শমসের আলীর ছেলে ইদ্রিস আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা, সুদের কারবার ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় তিনি এলাকার নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করছেন। তারা দাবি করেন, সম্প্রতি ১২ জন নিরীহ ব্যক্তিকে আসামি করে করা মামলাটিও হয়রানিমূলক এবং অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভুক্তভোগী আব্দুল লতিফ বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমগাছি বাজার এলাকায় বসবাস করছেন। ভূমিহীন হওয়ায় সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করছেন। তার দাবি, গত ১০ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে ইদ্রিস আলী তাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর ও জখম করেন। পরে একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরদিন তার স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে তিনি ও তার পরিবার নিয়মিত হুমকির মুখে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেন আব্দুল লতিফ। তিনি সরকারের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস আলী পূর্ববর্তী সরকারের আমল থেকেই এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছেন। সরকার পরিবর্তনের পরও তার দৌরাত্ম্য কমেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। শফিকুল ইসলামের ভাষ্য, আব্দুল লতিফকে উদ্ধারের সময় এলাকাবাসী ইদ্রিস আলীর বাড়িতে প্রবেশ করে সেখানে নির্যাতনের জন্য ব্যবহৃত দুটি কক্ষ দেখতে পান কক্ষ গুলোতে তিনটি কবর খনন করা রয়েছে । তিনি দাবি করেন, ওই স্থান ব্যবহার করে বিভিন্ন মানুষকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হতো এবং জোরপূর্বক ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদ করায় এখন এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। কর্মসূচিতে ভুক্তভোগী পরিবার, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি ও বিপুলসংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top