
।নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনার সন্ধান মিলেছে। পরিবারের সদস্যদের সন্দেহের ভিত্তিতে একটি বাড়ির শোবার ঘরের মেঝে খুঁড়ে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে জুয়েল মিয়াকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা ময়দানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মারুফা বেগম (৬০-এর বেশি বয়স) কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার গভীর রাতে জুয়েল মিয়ার বসতঘরের মেঝে খনন করে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, ভারী কোনো বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে মারুফা বেগমকে হত্যা করা হতে পারে। পরে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে ঘরের ভেতর মাটিচাপা দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।
নিহত মারুফা বেগম এলাকার প্রয়াত আশরাফ আলীর স্ত্রী। ঘটনার পর থেকেই তার ছেলে জুয়েল মিয়ার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে আটকের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে জুয়েল মিয়ার সম্পৃক্ততার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলে বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়েরের উদ্যোগ নিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।


