প্রতিনিধি নিয়োগ চলছেপ্রতিনিধি নিয়োগ চলছে
📰 ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে খুলনায় বিএনপির সমাবেশ ইতালীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস, নেপথ্যে রুশ হ্যাকারদের হাত পাকিস্তানে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস গাজায় ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত বাস্তুচ্যুতদের অস্থায়ী তাবু গুয়াতেমালায় বন্দুকধারীর হামলায় আইনপ্রণেতাসহ নিহত চার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে খুলনায় বিএনপির সমাবেশ ইতালীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস, নেপথ্যে রুশ হ্যাকারদের হাত পাকিস্তানে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস গাজায় ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত বাস্তুচ্যুতদের অস্থায়ী তাবু গুয়াতেমালায় বন্দুকধারীর হামলায় আইনপ্রণেতাসহ নিহত চার
আইন ও অপরাধ, ব্রেকিং নিউজ

‎ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক প্রমাণ ছাড়া ইউএনওকে দায়ী না করার আহ্বান

August 11, 2026

Spread the love


‎
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জনবল নিয়োগকে ঘিরে তানোরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাইমা খানের বিরুদ্ধে দলীয়করণ বা পক্ষপাতের যে অভিযোগ উঠেছে তার পক্ষে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ সামনে আসেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অনেকে।
‎স্থানীয় জনপ্রতিনিধি শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েকজন নাগরিকের ভাষ্য নাইমা খান তানোরে যোগদানের পর থেকে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে সক্রিয় রয়েছেন। নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা শোনা সরকারি দপ্তর পরিদর্শন এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম তদারকিতে তাঁর উপস্থিতি রয়েছে। তাঁদের মূল্যায়নে তিনি বিনয়ী সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন।
‎উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় দলীয় নেতা শামসুজ্জামান  বলেন  নাইমা খান একজন সরকারি কর্মকর্তা। তাঁর দায়িত্ব সরকারি বিধি মেনে প্রশাসন পরিচালনা করা। একাধিক দায়িত্বের চাপের মধ্যেও তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে বিষয়টি তদন্ত করা উচিত।
‎সামাজিক সচেতন স্থানীয়  নাগরিকদের মতে ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়ম হয়ে থাকলে পরীক্ষার ফলাফল নম্বরপত্র মূল্যায়ন পদ্ধতি ও নিয়োগসংক্রান্ত নথি যাচাই করলেই প্রকৃত বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া যেমন জরুরি তেমনি প্রমাণ ছাড়া একজন সরকারি কর্মকর্তাকে বিতর্কে জড়ানোও সমীচীন নয় আইন অনুযায়ী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত ।
‎তাঁদের ভাষ্য পরীক্ষাভিত্তিক বাছাই প্রক্রিয়ায় ইউএনও নাইমা খানের ব্যক্তিগত দলীয় হস্তক্ষেপ বা কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এখন পর্যন্ত সামনে আসেনি। ফলে শুধু কোনো প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে ইউএনওকে দলীয়করণের সঙ্গে যুক্ত করা যৌক্তিক নয় বলে জানান একাধিক ব্যক্তি ।
‎স্থানীয়দের আরও দাবি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে নাইমা খানের অবহেলারও কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ নেই। একাধিক দপ্তরের দায়িত্ব সামলেও তিনি নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জন করতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত ।
‎সচেতন মহল মনে করছে ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগের বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার বাইরে রেখে নিয়োগসংক্রান্ত নথি ও পরীক্ষার ফলাফল যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নির্বাচিত তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের মাধ্যমে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের তথ্য দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সংগ্রহ করা উচিত।
‎তাঁদের মতে অভিযোগ থাকলে তদন্ত হোক প্রমাণ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে প্রমাণ ছাড়া কোনো কর্মকর্তাকে দলীয়করণ বা পক্ষপাতের অভিযোগে দায়ী করা উচিত নয় । এমন ধরনের বিতর্কের সৃষ্টি করলে সরকারি কাজে বাধা প্রাপ্ত হবে জনগণ সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া উদ্ভট তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা মোটেও সমীচন নয়।
‎
‎

এই সংবাদের ফটো কার্ড বানিয়ে নিন —