ঋত্বিক ঘটকের ১০১তম জন্মবার্ষিকীতে স্মরণে তিতাস পাড়ের আখ্যান

প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ১০১তম জন্মবর্ষে বিনোদন ও সাহিত্যপ্রেমীদের আলোচনায় উঠে এসেছে অদ্বৈত মল্লবর্মণের কালজয়ী সৃষ্টি ‘তিতাস একটি নদীর নাম’। এই প্রেক্ষাপটে ঋত্বিক ঘটকের শৈল্পিক দূরদর্শিতা এবং উপন্যাসের অন্তর্নিহিত বেদনার রসায়ন নতুন করে মূল্যায়িত হচ্ছে। তিতাস নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জেলেপাড়ার জীবনসংগ্রাম এবং মালো সম্প্রদায়ের সংস্কৃতিকে অমর করে রেখে গেছেন অদ্বৈত মল্লবর্মণ। অন্যদিকে, ঋত্বিক ঘটক তাঁর পরিচালনার জাদুতে সেই আখ্যানকে রূপালি পর্দায় এমনভাবে উপস্থাপন করেছিলেন, যা আজও দর্শককে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
ঋত্বিক ঘটকের নির্মাণের মাধ্যমেই বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করেছিল এক খরস্রোতা নদীর ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাওয়ার করুণ পরিণতি। মূলত নদীর অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার সাথে সাথে কীভাবে একটি জনপদ ও সংস্কৃতির বিবর্তন ঘটে, তা তাঁর চলচিত্রে অত্যন্ত সাবলীলভাবে ফুটে উঠেছে। তিতাস কেবল একটি ভৌগোলিক অস্তিত্ব নয়, বরং এটি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই ও হারানো স্মৃতির এক আকর। জন্মবার্ষিকীর এই বিশেষ মুহূর্তে অদ্বৈত মল্লবর্মণের লেখনী এবং ঋত্বিক ঘটকের রুপালি পর্দার চিত্রায়ণ—দুই মিলে তিতাস পাড়ের সেই হারানো জনপদ যেন ফের জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
সূত্র: প্রথম আলো
