বিদ্যালয়ে বুলিং বা হেনস্তার মুখোমুখি হলে করণীয় কী?

বিদ্যালয়ের পরিবেশে বুলিং বা সহপাঠীদের দ্বারা হেনস্তার শিকার হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য এক বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বুলিং শুধু শারীরিক নিগ্রহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর ধরন অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। কোনো শিক্ষার্থীকে তার শারীরিক উচ্চতা, গায়ের রং কিংবা গঠন নিয়ে বিদ্রূপ করা, অপমানজনক বিশেষণে ডাকা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টিফিনবক্স কেড়ে নেওয়ার মতো ঘটনাও বুলিংয়ের আওতায় পড়ে। এছাড়া সহপাঠীদের থেকে কাউকে আলাদা করে রাখা কিংবা সামাজিক ও মানসিকভাবে তাকে একা করে ফেলার চেষ্টাও এর অন্তর্ভুক্ত।
এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। অনেক ক্ষেত্রেই শিশুরা ভয়ে মুখ খোলে না, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। বুলিংয়ের শিকার শিক্ষার্থীরা যদি যথাযথ সময়ে অভিভাবক বা শিক্ষকদের বিষয়টি অবহিত করে, তবে দ্রুত সমাধান পাওয়া সম্ভব। পাশাপাশি, বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্টদের উচিত এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা যেখানে শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারে। বুলিং রোধে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার চর্চা বাড়ানোই একমাত্র কার্যকর উপায়।
সূত্র: প্রথম আলো
