শিরোনাম :
স্বামীকে কারামুক্তির টোপ: ডিবি পরিচয়ে ১০ লাখ নওগাঁর নিয়ামতপুরে ফিলিং স্টেশনে পুলিশের উপদৈনিক সোনার দেশ পত্রিকা অফিসে আগুন:নথিপত্র পদুর্গাপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান,প্রযুক্তি মেতাহেরপুরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংসমিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে কৃষক দল নেতাসংস্কারের বকেয়া রেখে হালখাতা খুলেছে সরকার: দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর অতর্কিত হামলা: আহউৎসবের রঙে রঙিন গোদাগাড়ী মঙ্গল শোভাযাত্রা ও নতুনের আহ্বানে দুর্গাপুরের কৃষকের সমৃদ্ধি ক

পরীক্ষা বাতিলের পর গোপনে নিয়োগ: তদন্ত ও বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

Spread the love

সজল মাহমুদ,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা সালেহিয়া দারুস সুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসায় নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের পর গোপনে দুজনকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তারা এই নিয়োগ বাতিলসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মাদ্রাসার সামনে আয়োজিত কর্মসূচি থেকে নিয়োগ বাতিল, অধ্যক্ষ আলতাফ উদ্দীনকে অপসারণ এবং পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। দাবি মানা না হলে মাদ্রাসা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ঘেরাও করার হুঁশিয়ারিও দেন আন্দোলনকারীরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের ২৩ জুন প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে আবেদন গ্রহণ করা হয়। ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষায় অংশ নিতে গেলে প্রার্থীরা দেখতে পান, নিয়োগ বোর্ডের অনেক সদস্যই এ বিষয়ে অবগত নন। এতে বিরোধ সৃষ্টি হলে ওই দিনের পরীক্ষা বাতিল করা হয় এবং আবেদনকারীদের ব্যাংক ড্রাফট ফেরত দেওয়া হয়। পরে জানানো হয়, নিয়োগ প্রক্রিয়া আর এগোবে না।
তবে অভিযোগ রয়েছে, এর পরও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গোপনে দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ পাওয়া দুজনের একজন মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইসমাইল হোসেনের মেয়ে ফৌজিয়া শাবনুর, যিনি কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে নিয়োগ পান। অন্যজন মরিয়ম খাতুন, যিনি ল্যাব সহকারী পদে নিয়োগ পেয়েছেন।
চাকরিপ্রার্থী ইব্রাহিম আলী মুন্না বলেন, “পরীক্ষা বাতিল করে আমাদের জানানো হয়েছিল নিয়োগ আর হবে না। কিন্তু পরে গোপনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অন্যায়।” তিনি এ বিষয়ে ৮ এপ্রিল মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
আরেক চাকরিপ্রার্থী নূর ইসলাম অভিযোগ করেন, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সভাপতির মেয়েকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং অন্য প্রার্থীর ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের বিষয় রয়েছে। তিনি বলেন, “নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ছিল না, তাই আমরা তদন্ত চাই।”
এদিকে নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মশিউর রহমান দাবি করেছেন, তিনি এ নিয়োগ সম্পর্কে কিছুই জানেন না। ৯ এপ্রিল দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক নিয়োগে তিনি কোথাও স্বাক্ষর করেননি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলতাফ উদ্দীন। তিনি বলেন, “নিয়ম মেনেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি বিষয়টি জানেন। এখন কেন অস্বীকার করছেন, তা বলতে পারব না।”
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top