শিরোনাম :
দূর্গাপুরে নতুন শিল্পীদের খোঁজে শুরু হচ্ছে ‘নিয়ামতপুরে ভূমি সেবা সংক্রান্ত গণশুনানি অনুচারঘাট মডেল থানার এএসআইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তচারঘাটে নারী সহায়তা ফোরামের সঙ্গে উপজেলা প্ররাজশাহীতে র‍্যাব-৫ এর পৃথক অভিযানে ১০টি গাঁজগভীর রাতে র‍্যাবের জালে পুঠিয়ার গাঁজা চাষিশিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে চোরাই মোবামেধাবী ও রোমাঞ্চকর জীবনসঙ্গী: সাংবাদিকের সাথবেনাপোল বন্দরের জব্দকৃত পণ্য বদলের অভিযোগ, ২.চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় বর্জ্য পৃথকীকরণ কার

মিথ্যা মামলায় ফেঁসে গেলেন বাদীই, লাখ টাকা জরিমানা

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজশাহী কারাগারে বন্দি থেকেও বাইরে হামলার অভিযোগ এনে মিথ্যা মামলা করার দায়ে শেষ পর্যন্ত ফেঁসে গেলেন মামলার বাদী সাজ্জাদ হোসেন। আজ রোববার (১২ মার্চ) আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। একইসঙ্গে এই জরিমানার টাকা থেকে ভুক্তভোগী দুই আসামিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতের দেওয়া আদেশে বলা হয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে জরিমানার এক লাখ টাকা পরিশোধ করে ব্যাংক চালানের কপি আদালতে জমা দিতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাজ্জাদ হোসেন এই অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন, তবে তাকে এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালত আরও জানিয়েছেন, জরিমানার এই টাকা থেকে মামলার কারণে হয়রানি ও কারাভোগের শিকার দুই আসামি ৫০ হাজার টাকা করে পাবেন।

মামলাটির অসারতা ধরা পড়ে যখন দেখা যায়, ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কারাগারে অবস্থান করছিলেন। কারাগারে থেকেও তারা কীভাবে বাইরে এসে হামলা চালালেন—এমন প্রশ্নের আইনি মারপ্যাঁচে অভিযোগটি ভুয়া প্রমাণিত হয়।

এ বিষয়ে সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি রায়ের বিষয়টি স্বীকার করেন। মামলাটি মিথ্যা ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি নিজেও তখন একটি রাজনৈতিক মামলায় কারাগারে ছিলাম। মামলাটি করার সময় বিষয়টি আমার স্মরণে ছিল না। যেহেতু আদালতে সব প্রমাণিত হয়েছে, তাই আমি স্বীকার করছি যে মামলাটি সঠিক ছিল না।

দীর্ঘ শুনানি ও তথ্য-প্রমাণ যাচাই শেষে আদালত এই সিদ্ধান্ত নেন যে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে হয়রানি করার জন্য এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বিচারিক রায়ে বাদীর এই মিথ্যাচারের জন্য কঠোর অবস্থান নিলেন আদালত, যা মিথ্যা মামলা নিরুৎসাহিত করতে একটি নজির হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এখন দেখার বিষয়, নির্ধারিত সাত দিনের মধ্যে সাজ্জাদ হোসেন জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন নাকি তাকে কারাগারে যেতে হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top