এলডিসি উত্তরণ নির্বিঘ্ন করতে পাঁচ অংশীজনের সমন্বয়ে বড় সংস্কারের পথে বাংলাদেশ

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও টেকসই করার লক্ষ্যে ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, এ রূপান্তর প্রক্রিয়া সফল করতে জনগণ, বেসরকারি খাত, জাতিসংঘ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং বহুপক্ষীয় উন্নয়ন জোট—এই পাঁচ পক্ষকে নিয়ে একটি সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মূলত উত্তরণ পরবর্তী বাড়তি তিন বছরের সময়সীমাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রপ্তানি বাজারের পরিধি বাড়াতে এই পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে।
সংস্কারের মূল ফোকাস হিসেবে ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সংকট নিরসনে মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে অবকাঠামো নির্মাণ এবং এলএনজি আমদানির সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের দিকে নজর দিচ্ছে সরকার। আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এডিবিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এ সংস্কার প্রক্রিয়ায় কারিগরি ও আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। সামগ্রিক এ উদ্যোগ বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র ও ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
