শিরোনাম :
সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান: ভারতীয় ১০ মোবনাচোলে কৃষক বেশে আত্মগোপনে থাকা ২ বছরের সাজারাজশাহীর কাটাখালীতে ২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদকগোদাগাড়ীর আওয়ামীলিগের প্রভাবশালী ইউপি চেয়শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় শচাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিকতার অনন্য রূপ: ইউএনচাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৭ জনকে পুশ-ইনের চেষ্জুমার নামাজ শেষে ডিএনসির মাদকবিরোধী লিফলেট বরাজশাহীতে কৃষকদলের ৮ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

দুর্গাপুরে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বুমেরাং, আপামর জনতার প্রিয় নেতা গোলাম সাকলায়েনের পক্ষে প্রতিবাদের গণজোয়ার

Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহীঃ
রাজনীতিতে যখন আদর্শ আর সততা বিরল হয়ে দাঁড়ায়, ঠিক তখন কিছু মানুষ নিজের মেধা, ত্যাগ আর মানবিকতা দিয়ে হয়ে ওঠেন গণমানুষের আস্থার প্রতীক। রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলার রাজনীতি ও মৎস্য অর্থনীতিতে এমনই এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম গোলাম সাকলায়েন। তিনি একাধারে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দুঃসময়ের কান্ডারি, সাবেক সফল উপজেলা সভাপতি, ৪ নম্বর দেলুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান এবং দেশের মৎস্য খাতের এক অনন্য দূরদর্শী সফল উদ্যোক্তা।


সম্প্রতি তাঁর এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা, সততা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় এডিটেড ও বিকৃত ভিডিওর মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে নোংরা অপপ্রচার চালানোর অপচেষ্টা করেছে। কিন্তু দুর্গাপুরের মাটি ও মানুষের নেতা গোলাম সাকলায়েনের বিরুদ্ধে এই অপকৌশল যে বুমেরাং হয়ে দাঁড়িয়েছে, তার প্রমাণ মেলে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদের ঢলে। অপপ্রচারের মেঘ কেটে তাঁর সততার আলো এখন আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
গোলাম সাকলায়েন কেবল সুদিনের কোকিল নন, বরং দলের চরম সংকটে ও ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষুর সামনে দাঁড়িয়ে যিনি দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত রেখেছেন, তিনি গোলাম সাকলায়েন। ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে বিগত স্বৈরাচারী সরকারের চরম নির্যাতন-নিপীড়নের সময়েও তিনি উপজেলার প্রতিটি স্তরের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ছায়ার মতো আগলে রেখেছেন। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অর্থ ও শ্রম দিয়ে সর্বোচ্চ সাপোর্ট দিয়েছেন।


তাঁর এই ত্যাগের ধারাবাহিকতায় স্বৈরাচারী আমলের চরম বৈরী পরিবেশের মধ্যেও তিনি দেলুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের পদটি বিপুল ভোটে জিতে বিএনপিকে উপহার দিয়েছিলেন। ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে লড়াই করে তৎকালীন আওয়ামী ফ্যাসিজমের ভোট ডাকাতির শিকার হয়ে অল্পের জন্য পরাজিত হন। পরবর্তীতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে তিনি দলকে সুসংগঠিত করেন। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ঐতিহাসিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলার প্রতিটি কোণায় ধানের শীষের পক্ষে তাঁর বলিষ্ঠ ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়।


দুর্গাপুরের রাজনীতিতে গোলাম সাকলায়েনের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো তিনি সবসময় বিভাজন ও গ্রুপিং রাজনীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। দলের ভেতর কোনো ধরনের কোন্দল বা গ্রুপিং দেখা দিলেই তিনি অভিভাবকের মতো এগিয়ে গেছেন, সবাইকে এক টেবিলে বসিয়ে সমস্যার সমাধান করেছেন। অসুস্থ ও নোংরা গ্রুপিং মুক্ত করে একটি সুস্থ ও ঐক্যবদ্ধ বিএনপি বিনির্মাণে তাঁর অবদান দলমত নির্বিশেষে সর্বমহলে সমাদৃত।
গোলাম সাকলায়েনের শিক্ষাজীবন দুর্গাপুরের তরুণ সমাজের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। তৎকালীন সময়ে তিনি এসএসসি পরীক্ষায় দুর্গাপুর উপজেলায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেন। এরপর ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সাথে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। এই উচ্চশিক্ষিত মেধাকে তিনি গ্রামীণ অর্থনীতিতে কাজে লাগিয়ে শত শত বিঘার এক বিশাল সমন্বিত মৎস্য প্রকল্প গড়ে তুলেছেন, যা আজ শত শত বেকার মানুষের স্থায়ী কর্মসংস্থানের এক উজ্জ্বল ও জীবন্ত দৃষ্টান্ত।


রাজনীতি ও ব্যবসায়ের বাইরে গোলাম সাকলায়েন একজন প্রকৃত দানবীর ও মানবিক হৃদয়ের মানুষ। তিনি প্রচারের আলোয় আসার জন্য দান করেন না, তাঁর দানশীলতা চলে গোপনে। এলাকার বিভিন্ন মাদ্রাসা, এতিমখানা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তিনি প্রতি মাসে (মাসিক) একটি বড় অংকের স্থায়ী আর্থিক অনুদান দিয়ে আসছেন, যা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়মিত ব্যয় নির্বাহে অভাবনীয় ভূমিকা রাখছে। এছাড়া গোপনে অসহায়, রোগাক্রান্ত ও দরিদ্র মানুষের চিকিৎসায় এবং কন্যাসন্তানের বিয়েসহ বিভিন্ন দুর্যোগে প্রতিনিয়ত হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি।
গোলাম সাকলায়েনের বিরুদ্ধে চালানো এই সস্তা ও নোংরা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রথম জোরালো প্রতিবাদ জানান দুর্গাপুর উপজেলা শাখা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ শামিম আহমেদ। তিনি তাঁর নিজের ফেসবুক

আইডিতে হুবহু যে পোস্টটি করেছেন, তা নিচে তুলে ধরা হলো:
“গোলাম সাকলায়েন ভাই, বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ শতশত মানুষের কর্মসংস্থানের এক উজ্জল দৃষ্টান্ত। এলাকার অনেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তার আর্থিক অবদান অভাবনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। এস এস সি ব্যাচে গোলাম সাকলায়েন ভাই তৎকালীন সময়ে দুর্গাপুর উপজেলায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেন। রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচ এস সি সম্পন্ন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রসায়ন বিভাগ থেকে অনার্স, মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। বি এন পির দুঃসময়ে দেলুয়াবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের পদ বি এন পি কে উপহার দেন। ২০১৪ সালে বি এন পি মনোনীত প্রার্থী হয়ে আওয়ামী ফ্যাসিজমের কাছে পরাজিত হন। দলের দুঃসময়ে উপজেলা বি এন পির সভাপতি হয়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়। আগামী দিনে তার নেতৃত্বে বি এন পি সুসংগঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।”
শামিম আহমেদের এই পোস্টের পর থেকেই পুরো দুর্গাপুর উপজেলাজুড়ে গোলাম সাকলায়েনের পক্ষে প্রতিবাদের এক অভূতপূর্ব ঢল নেমেছে। তাঁর ক্লিন ইমেজ নষ্ট করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে উপজেলার প্রগতিশীল তরুণ সমাজ কঠোর আন্দোলনে নেমেছে।


বর্তমানে উপজেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা স্পষ্ট ও হুংকার দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে— “জননেতা গোলামক সাকলায়েনের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের অপপ্রচার চালানো হলে তা সরাসরি রাজপথে কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে। এই দুর্গাপুরের মাটিতে কোনো ধরনের অসুস্থ ও নোংরা রাজনীতি চলবে না; যদি কেউ তা প্রতিষ্ঠা করার অপচেষ্টা করতে চায়, তবে তার দাঁতভাঙা ও কড়া জবাব দেওয়া হবে।” ষড়যন্ত্র আর অপপ্রচার করে কারো জনপ্রিয়তাকে দমিয়ে রাখা যায় না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top