শিরোনাম :
মান্দায় চারা-ঋণ নিয়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সবতানোরে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, আত্মহত্যআওয়ামী লীগ নেতা এস এম শাহীনুজ্জামান আটক, মানব শরৎগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব থেকচাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মদ-শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাঘায় পিস্তল-গুলিসহ নারী গ্রেপ্তার, স্বামী পপদ্মায় নৌকাডুবি: বিএসএফের হাতে উদ্ধার ১০ বাংচারঘাটে নাগরিক অধিকার ও জলবায়ু ন্যায্যতা প্রমানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রশাসনের মূল দায়িত

গোদাগাড়ীতে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকি, আদালতে মামলা

Spread the love

গোদাগাড়ী,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার জলাহার গ্রামে স্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে মাটি খনন কাজে বাধা সৃষ্টি, চাঁদা দাবি ও ব্যবসায়ীকে দেশীয় অস্ত্র উঁচিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
​ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ কামরুজ্জামান (৩০) বাদী হয়ে গোদাগাড়ী থানা আমলী আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের নির্দেশ দিয়েছেন।
​মামলার এজাহারনামীয় আসামি হলেন গোদাগাড়ীর আতাহার মোড় এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে মোঃ মুরসালিন মুসা (২৭)। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৬ জন সন্ত্রাসীকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

​মামলার আরজি সূত্রে জানা যায়, বাদী কামরুজ্জামান গত ১০ বছর ধরে ট্রাক্টর ও স্কেভেটর ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা করে আসছেন। সম্প্রতি জলাহার গ্রামে তার ভাড়া দেওয়া একটি স্কেভেটর দিয়ে মাটি খননের কাজ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, এই কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই আসামি মুসা বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করে আসছিল।
​গত ৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ দিবাগত রাত ১২:২৪ মিনিটে বাদীর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল করে প্রতিদিন ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসামি। এই চাঁদা দাবির বিষয়টি বাদীর মোবাইলে অডিও রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে।
​দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও কাজ বন্ধ
​চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই রাতেই (ভোর আনুমানিক ৩:৩০ মিনিটে) আসামি মুসা তার সহযোগী ৫-৬ জন সন্ত্রাসী নিয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে খনন কাজ বন্ধ করে দেয়। খবর পেয়ে স্কেভেটর মালিক কামরুজ্জামান ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাকে ঘিরে ধরে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং চাঁদা না দিয়ে কাজ করলে খুন করার ভয় দেখানো হয়। এ সময় চালক তৌহিদ ও স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে আসলে আসামিরা চলে যায়।
​থানা থেকে আদালতে যাওয়ার কারণ
​এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান জানান,
​আমি ঘটনার পর পরই গোদাগাড়ী থানায় অভিযোগ করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ আমাকে আদালতে গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেন। থানায় যোগাযোগ ও পরামর্শের কারণেই আদালতে মামলা করতে আমাদের কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আমি এই চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
​মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী জানান, দণ্ডবিধি আইনের ৩৮৫ (চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন) এবং ৫০৬ (২) (গুরুতর আঘাত বা প্রাণনাশের হুমকি) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের সপক্ষে অডিও রেকর্ড এবং পর্যাপ্ত সাক্ষী রয়েছে। আদালত বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়েছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top